হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে ছোলা আমদানি

রমজান ঘিরে দেশের বাজারে বেড়েছে ছোলার চাহিদা। ফলে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যটির আমদানিও বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

রমজান ঘিরে দেশের বাজারে বেড়েছে ছোলার চাহিদা। ফলে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যটির আমদানিও বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ বাড়ায় বন্দরে পাইকারিতে ছোলার দাম কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা কমে এসেছে। গতকাল হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে এর আগে দুই থেকে তিন ট্রাক ছোলা আমদানি হতো। তবে বর্তমানে তা বেড়ে ২০-২৫ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চাহিদা বেশি থাকায় সরাসরি বন্দর থেকেই পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে আমদানি বাড়ার কারণে প্রতি বছরের চিত্র পাল্টে এবারে ছোলার দাম কমতির দিকে রয়েছে। এর আগে বন্দরে পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজি ছোলা ৯৮-৯৯ টাকায় বিক্রি হতো। বর্তমানে তা কমে কেজিতে ৯৪ টাকায় নেমে এসেছে।

ছোলায়মান আলী নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রমজান ঘিরে দেশের বিভিন্ন মোকামে ছোলার চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী। তাই হিলি স্থলবন্দরে পণ্যটি কিনতে এসেছি। আমদানি বাড়ার কারণে দাম আগের তুলনায় কেজিতে ৪-৫ টাকা কমে এসেছে।’

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘রমজানে দেশের বাজারে ছোলার সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে ছোলা আমদানি অব্যাহত রেখেছেন আমদানিকারকরা। রমজানে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া ব্যাংকগুলো আমদানিকারকদের চাহিদামাফিক এলসি দিচ্ছে। এরই মধ্যে সেসব আমদানিকারকের পণ্য বন্দরে প্রবেশ করছে। সামনের দিনগুলোয় আমদানি আরো বাড়তে পারে। তাই রমজানে পণ্যটির দাম বাড়ার আশঙ্কা কম।’

তিনি আরো বলেন, ‘ভারতের বাজারে ছোলার দাম কিছুটা কমেছে। এটিই দেশে পাইকারিদর কমার অন্যতম কারণ। এছাড়া অস্ট্রেলিয়া থেকেও ছোলা আমদানি বাড়ানো হয়েছে।’

হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানান, চলতি মাসের ১-২৫ তারিখ পর্যন্ত ১৫০টি ট্রাকে সাড়ে ৫ হাজার টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। ছোলা আমদানীতে কোনো শুল্ক আরোপ না থাকায় শুল্কমুক্ত হিসেবে আমদানি হচ্ছে। আমদানিকৃত ছোলা দ্রুততার সঙ্গে পরীক্ষণ শুল্কায়ন সম্পন্ন করে ছাড় দেয়া হচ্ছে।

আরও